শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১০

এর চেয়ে ভাল আর কিছুই হতে পারে না


বিকেলে সূর্য যখন পশ্চিম প্রান্তে হেলে আছে, আর আমি জাহাজের মাস্তুলে বসে ভাবছি no hope, no love, just enjoy myselt ঠিক তখন পিছন থেকে ভেসে আসছে সহস্র কন্ঠে গান ‘জ্বালাইয়া প্রেমের বাতি কোথায় তুমি থাকরে...’। তাই ভাবছি যে জ্বালিয়েছিল প্রেমের বাতি সে এখন কোথায়? একটি অনন্য সময় কাটাচ্ছি, পিকনিক করছি, জাহাজে করে রাঙ্গামাটি লেকে ঘুরে ঘুরে এর অপার সৌন্দর্য্য উপভোগ করছি, সুতরাং এখন এর চেয়ে ভাল আর কিছুই হতে পারে না।

আমরা রাঙ্গামাটির কাছাকাছি চলে এসেছি; সুর্যের প্রতিফলন পানির ঢেউয়ে হাজারো ভাগে ভাগ হয়ে আবার এক হয়ে যাচ্ছে। সবাই বনভোজনের আনন্দে আত্মহারা। এখানে কেউ স্বপ্ন খুজতে আসে, কেউ আনন্দ কেউবা আবার ভালবাসা। আমি আনন্দ খুঁজা লোকদের দলে। বয়ে চলা বাতাস আমায় আনন্দ দেয়, মানুষের আনন্দ আমায় আনন্দ দেয়, জীবনের উচ্ছাস আমায় আনন্দ দেয় আর স্বপ্ন আমায় আনন্দ দেয়। স্বপ্ন দেখি এটা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ পর্যটন স্থান হবে।

আমরা ঝুলন্ত সেতুর কাছাকাছি চলে এসেছি, আমাদের পিকনিক প্রায় শেষের পথে,স্যাররা আমাদের সাথেই মজা করছেন, সবার সাথে ছবি তুলছেন, প্রাণের সাথে প্রাণ মিলিয়ে গান ধরছেন, ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক আজ এক সুরে মাতাল, কোথাও ছন্দ পতনের এতটুকু সম্ভাবনা নেই সুতরাং এর চেয়ে ভাল আর কিছুই হতে পারে না।
-মারুফ(১৮-০২-২০১০)

শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১০

ভালবাসা

ভাললাগা বুঝি তাই......ব্যস্ততায় ভালবাসা চাঁপা পড়ে ব্যস্ততার আড়াঁলে...নিঝুম রাতে বা পূণ চাঁদে মনে হয় কোথায় ভালবাসা .....? তাই ভালবাসাই চাই প্রচুর অবসর, প্রানদোলা দখিনা বাতাস, আর........আর চাই অর্থ।

অর্থ ছাড়া ভালবাসা যে নিরর্থ বা ব্যর্থ নতুন করে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা । আবার কখনো বা ভালবাসা সৃস্টি হয় মনের কোন গহীন থেকে। তবে অপরিচিতের জন্য ভালবাসা সৃস্টি হয় না। আর সার্থহীন ভালবাসা অসম্ভব।

পুরানো ভালবাসা কখনো বা আবার জেগে উঠে ...দোলা দেয়, তৃষ্ণা জাগায়, বাঁচায় আনন্দ দেয়।কখনো বা নিরাশ করে , ধবংস করে হাজারো নির্মান।
......মারুফ

মন মানে না

মন খুলে চাও, যা মন চায়
জানি না কী মন চায়?
চাওয়া যদি বড় হয়
যেন তার চেয়ে ও বড় মন।

আর পাওয়া যদি ছোট হয়
তবে যেন
আমি ছোট বা আমার মন।

চাই না কিভাবে পাব বল?
চাওয়া কে যে পরাজয় মনে হয়।
পরাজিত হতে চাই না
আবার মন পেতে চায়,
না পাওয়ার বেদনায় তাইতো
"মন মানে না"
................................................................................................মারুফ(January 04, 2009, 9:45:38 AM)

সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০০৯

ধুমায়িত জীবন

প্রেম আসে, প্রেম যায়...

কভু জ্বল্বনি আগুন হৃদয়ে তোমার।

বহুকাল ধরে ঘষছি পাথর,পাথরের সাথে

কভু ধরেনি আগুন পাথরের বুক থেকে।


পুরেছি অনেক, তবু জ্বালাতে পারিনি শিখা

ধুমায়িত জীবন আমার,

মুখ থেকে ধুয়া আসে, নিকোটিন ক্ষয়ে

তবুও আসে না আগুন হয়ে

"ভালবাসি তোমায়" ।

-------------------------------------------------------------মারুফ(october,09)

সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০০৯

বাবা দিবসে, বাবার জন্য লেখা

বাবা......সন্ধ্যায় আমি যখন বাইরে থাকি তুমি বার বার আমায় খোঁজ করো। সে কথা মেহেদী কতবার বলেছে।
যখন আমার জন্য নতুন জুতা কিনো, জানি তোমার ও দরকার, তুমি হাসলে বল আরেকদিন। শত দুঃখেও তুমি হেসে যাও, বল তরাইতো আমার সুখ।

তুমি ছায়া দাও মেঘ হয়ে, পিপাসায় ঝরে পড় বৃস্টি হয়ে, স্রোত হয়ে নিয়ে চল। তুমিও জান কিনা, আমি তোমায় ভালবাসি অ...নে...ক বেশি।

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০০৯

চিঠির অন্ত-কথা

বাহার ভাইয়ের এক খালাতো বোন আছে, নাম শশী। সে এবার এস.এস.সি পরীক্ষা দিবে। তো পরীক্ষা দিবে এমন কাউকে একটা চিঠি লিখতে ইচ্ছে করল। তাই শশীকে একটা চিঠি লিখলাম। তারা খুলনাতে থাকে, এবং মনে হয় আমার সাথে একবার ফোনে কথা হয়েছে। বাহারের কাছ থেকে আমি তার ছবিও দেখেছি। তবে চিঠি লিখার অন্য কোন কারন নেই, এমনি একজন পরীক্ষার্থিকে সাহস দেয়া। চিঠিটা শশীকে দেয়া হবে কিনা জানিনা , তবে মনে হয় হতে পারে। আর সে যদি এ কারনে এক মূহুর্তও বেশি লেখা-পড়া করে তবেই আমার লেখাটা সার্থক হবে।

আজকাল কেউ কাউকে চিঠি লেখেনা। কিন্তু আমার মাঝে মাঝে চিঠি লিখতে ইচ্ছে করে। কাকে লিখব, চিঠি লেখার কেউ নাই আমার। অথবা লেখার আর প্রয়োজন হয়না। এখন মোবাইল ফোন সবার হাতে হাতে, যারা বিদেশে থাকে তাদের সাথে ইন্টারনেট এ যোগাযোগ হয়। আর কত যে প্রযুক্তি আসবে কে জানে। তখন হয়তোবা একটা সময় কেউ আর মোবাইল ফোন ব্যাবহারই করবেনা।

আমি একটা সময় চিঠি লেখতাম। আমি যখন চট্টগ্রামে মাদ্রাসায় পড়ি, তখন। চিঠি লিখতাম মূলত আম্মা ও আব্বাকে। সেখানে সবার কথা লেখা থাকতো। আমার তখনকার অবস্থা, মেহেদির কথা আরো কত কী। প্রায়ই আমি শ্রদ্ব্যা বানান নিয়ে খুব যামেলায় পরতাম। আম্মা আমাকেও চিঠি লিখতো। চিঠি পড়ে কখনো কেদেছি কিনা মনে নেই, মনে হয় কেদেছিলাম।


যখন কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে মাদ্রাসায় পরি, তখন আব্বা মানি অর্ডার করে আমার নামে টাকা পাঠাতো। পাঁচশত টাকার মানি অর্ডার। কখনো বা ছয়শত হত। তখন মানি অর্ডারের নিচে আব্বা ছোট্ট চিঠি লিখত। অল্প কথায় অনেক সুন্দর চিঠি, যা সবাই পড়তে পারতো।আমি মাসের চার থেকে পাঁচ তারিখ আসলেই সেই মানি অর্ডারের পথ চেয়ে বসে থাকতাম।

চিঠি লিখেছিলাম এক কন্যাকে ভালবেসে। পত্র বাহকের নাম ছিল সম্রাট। আমি কারো নাম মনে রাখতে পারিনা। তবে কিছু নাম ভুলতেও পারিনা। তেমনি এক নাম বর্ণা। ছোট বেলার প্রেম, ঠিক প্রেম বলা যায়না। কারন তখন আমার প্রেম-ভালবাসা সম্পর্কে খুব ভালো জ্ঞান হয়নি। তারপরেও আমরা ভালবেসে একে অপরকে চিঠি আদান প্রদান করেছিলাম। একদিন একটা চিঠি লিখে বাসার কোথাও হারিয়ে ফেলি। তারপর যথারীতি আম্মার হাতে ধরা খেলাম। আম্মা কিন্তু আমাকে কিছুই বলেননি। আপা একটু হাসা হাসি করেছিল। আমার তখন লজ্জায় মরি মরি অবস্থা।


তারপর সুদীর্ঘ সময় চলে গেছে, চলে গেছে আমার কৈশর। আর লিখা হয়নি কোন চিঠি। কিন্তু সেই চিঠি লিখার স্মৃতি কি ভুলা যায় কখন? আজ যৌবনের কাছাকাছি এসে একজনকে লিখলাম একটা চিঠি। অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্যে। কিন্তু মনে পরে গেল অতীতের সব চিঠির কথা।
আতীত, আমার বড় সাধের সোনলি রঙের জং ধরা আতীত। যা কখনও মলিন হয়না, যায়না ভুলা, আমার চিঠির অতীত।

12:30 AM 2/3/2009




9:53 AM 1/5/2005 আজ শেষের অংশটুকু লিখি। দীর্ঘ তিন মাস কেটে গেল। ছোট-খাট অনেক কিছুই ঘটে গেল জীবনে। হঠাৎ পুরাতন লেখা পড়তে এসে মনে হল
এর শেষটা লেখা দরকার। না, আমার লেখা শশীকে চিঠিটা শশীর কাছে যায়নি, হয়নি পড়া, পাইনি কেউ প্রেরণা। কারেন্ট চলে গেছে...

বুধবার, ১ জুলাই, ২০০৯

স্যারগো আজকে থাক

অনেক হয়েছে, বিস্তর বাকী
স্যারগো...আজকে থাক!
আর পারিনা সইতে, মাগো
লেখা-পড়া যেন ভীষণ পাপ।