আমার সোনালি ফ্রেমে বাধানো রুপালি অতিত
২১মে ২০১০ এ আমার বিশ্ববিদ্যাল জীবনের চার বছর পূর্ন হবে। আজ হঠাৎ পুরানো ডাইরি ঘাটতে গিয়ে দেখি প্রথম সেমিস্টারের কিছু লেখা। পড়ে ভালো লাগল। স্মৃতিতে ভেসে এলো আমার টাংগাইল জীবনের প্রথম দিককার সময়। অতিত! আমার সোনালি ফ্রেমে বাধানো রুপালি অতিত।
ওরিয়েন্টেশন
আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামটা আমার জন্য ‘ওরি’ এবং ‘টেনশন’ হয়ে গিয়েছিল। গাজীপুর থেকে সকাল সাড়ে আটটায় মোবাইল করে জানতে পারলাম প্রোগ্রাম শুরু দশটায়। তখন আমার অবস্থা “গোড়ায় গলদ”। কারন গাজীপুর হতে টাংগাইল আসতে কমপক্ষে আড়াই ঘন্টা লাগার কথা। যাই হোক, কোন রকম সাজগোজ ছাড়াই দশ মিনিটে রেডি হয়ে টাংগাইলের পথে বাস ধরলাম। আমি নিশ্চিত ছিলাম যে, ঠিক এগারোটায় পৌছে দেখব প্রোগ্রাম অর্ধেক শেষ, কেউ কেউ আমার দেরিতে আসতে দেখে হাসবে। কিন্তু বাংলাদেশ বলে কথা, ন’টার ট্রেন ক’টায় ছাড়ে অবস্থা। পৌনে আগারোটায় এসে দেখি কিছুই শুরু হইনি।
আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে বাচাঁলেন। কোন কিছু মিস হলনা। আমার আবার একটা সমস্যা যে কোথাও দেরিতে গেলে মনে হয় যেন কত কিছু মিছ করে ফেলেছি। যা হোক প্রগ্রাম শুরু হল ঠিক বারোটায়। গরমে তখন আমার বারোটা বাজে অবস্থা। প্রধান, বিশেষ সহ অনেক অতিথি ভাষন দিয়ে সবাইকে অভয় দিলেন এবং বললেন যে আমরা এখানে ভর্তি হতে পেরে ভাগ্যবান। আমিও তাই মেনে নিলাম। অনুষ্ঠানের শেষ প্রান্তে খাবারের পেকেট এলো। পেকেটে ভদ্রতার ছাপ পেলাম, কি ভেতরে কি বাহিরে। বিকেলে মেছের সন্ধানে বের হলাম। প্রথমে এক বৃদ্ব চাচার বাসা দেখে পছন্দ হল কিন্তু ভাড়া তিন হাজার টাকা গ্যাস-কারেট ছাড়া। তাই রাজি হলাম না। কিন্তু সন্ধ্যার পর এসে পাকা কথা দিয়ে গেলাম। বাসায় ফিরতে ফিরতে তখন রাত এগারটা। ভাত খেয়ে খানিক পরে নিদ্রা সাগরে ডুব মারলাম।]
মারুফ(২০-০৫-২০০৬
বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০১০
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন