বাসা হতে মেস
শুক্রবারের কথা বাদ দিলাম। আজ শনিবার। সকাল হতে আমার একেবারে কেমন যেন মৃধু টেনশন হতে থাকল। সত্যি বলতে কি বাসার প্রতি এক রকম টান অনুভব করতে লাগলাম সাথে সামান্য ভয় যদি বাড়িওয়ালা অন্য কাউকে বাসাটা ভাড়া দিয়ে দেয়। ঠিক তিনটার দিকে মাছের কথা মনে পড়ল, কিন্তু সময় নেই যে মাছের জন্য পুকুর থেকে ফেনা এনে দেই। বলে রাখা ভাল আমি বাসায় একটা মাছ পালতাম। দেশি মাছ, সোয়াবিন তেলের জার কেটে তার ভিতর পানি দিয়ে একুরিয়াম বানিয়ে দিয়েছিলাম।
সাড়ে তিনটায় আমি আর বড় আপা বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম সাথে আর্মির কাপড়ে মোরানো তোষক আর কাপড়ের ব্যাগ। আপা রেল স্টেশন পর্যন্ত আসল। টাঙ্গাইল আসতে প্রায় পাঁচটা বেজে গেল। নামার সময় একজনের সাক্ষাত পেলাম, CSE প্রথম বর্ষের, বাড়ি গাজীপুরে। তাকে সাহায্য করতে বললাম এবং সে সাহায্য করল।
টাঙ্গাইল পৌছে চাচার কাছ থেকে মেসের চাবি নিয়ে মেসটা যে আমার সেটা নিশ্চিত করলাম। একটু পর তানভির সহ পাচঁজন এলো আমার রুমে। আমরা চাইনিজে গিয়ে স্যুপ খেলাম। বিলের কথাটা বলি, জন প্রতি ২২টাকা। হাটা-হাটি করে গল্প করতে করতে রাত ন’টা বেজে গেল। পাশের বাসার ভাইয়াদের সংগে পরিচিত হলাম। আব্বা ও আম্মাকে ফোন করলাম। মিনিট দু’ইয়েক আগে বাড়িওয়ালা চাচা এসেছিল আমি তাকে এডভান্স তিন হাজার টাকা দিয়ে দিলাম। রুমে পূর্বে থেকেই লাইট ও ফ্যান লাগানো থাকায় আজ রাতটা অন্তত আরামে থাকা যাবে।এখন রাত দশটা বাজে, একবারও কারেন্ট যায়নি। বাকি রাত যেন এভাবেই যায়। কাল ভার্সিটি জীবনের প্রথম ক্লাস শুরু হবে। আমি রুমে একা কিন্তু কোন ভায় লাগছেনা বরং সুখ সুখ ভাব হচ্ছে।
মারুফ(২১-০৫-০৬)
শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০১০
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন